Friday, September 17, 2010

article logoগ্রামীণ জনগণ ওয়েব ক্যামেরা ব্যবহার করে বিদেশে স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবে

নভেম্বরে ইউনিয়নগুলোতে চালু হচ্ছে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র আগামী নভেম্বরে দেশের সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়নে ‘ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র (ইউআইএসসি)’ স্থাপনের কাজ শেষ হবে। এসব কেন্দ্র থেকে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণকে জীবন ও জীবিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্মসূচি থেকে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) গ্লোবাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হেলেন ক্লার্ক ১০ নভেম্বর যৌথভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অধীন দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ইউআইএসসি স্থাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় দু’জন উদ্যোক্তার মাধ্যমে সরকার এ কেন্দ্রগুলো স্থাপন করছে। এসব কেন্দ্রে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার, প্রিন্টার, ওয়েব ক্যামেরাসহ আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও থাকবে। এটুআইয়ের জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা বলেন, এসব কেন্দ্র পরিচালনার জন্য স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য (কনটেন্ট) সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। সেবা কেন্দ্রগুলো স্থাপনের কাজ করছে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। গত জুন পর্যন্ত ১ হাজারেরও বেশি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সেগুলোতে সেবা কার্যক্রম চলছে। নভেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই বাকি কেন্দ্রগুলো স্থাপনের কাজ শেষ হবে। নাঈমুজ্জামান মুক্তা বলেন, ‘গ্রামীণ জনগণ এসব কেন্দ্রে গিয়ে স্বল্পমূল্যে ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে দেয়া সরকারি সেবাগুলো নিতে পারবে। সরকার ইতিমধ্যে অনলাইনে সরকারি চালান জমা নেয়ার ব্যবস্থা করেছে। দরকারি যে কোনো ফরম ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবে। ওয়েব ক্যামেরা ব্যবহার করে বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবে।’ তিনি জানান, এসব কেন্দ্রের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার চালুর লক্ষ্যেই জাতীয় ই-তথ্যকোষ তৈরি করা হচ্ছে। এ তথ্যকোষ ব্যবহার করে ইউআইএসসি থেকে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আইন ও মানবাধিকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অকৃষি উদ্যোগ, পর্যটনসহ জীবন ও জীবিকা সংক্রান্ত সব তথ্য পাবে গ্রামীণ মানুষ। অডিও, ভিডিও এবং প্রামাণ্য চিত্রের আকারে এসব তথ্য সাজানো থাকবে। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন থেকে একজন ছেলে এবং একজন মেয়ের সমন্বয়ে ৯ হাজার উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে ৭ হাজার উদ্যোক্তারও প্রশিক্ষণ শেষ হবে। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এসব কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। সরকার এবং স্থানীয় দুই উদ্যোক্তার বিনিয়োগে এসব কেন্দ্র পরিচালিত হবে। কেন্দ্রের জন্য জায়গা দিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ। জাতিসংঘের তৃতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হেলেন ক্লার্ক দেশের কোনো একটি ইউনিয়নে গিয়ে এ তথ্য ও সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করতে পারেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, নভেম্বরে উদ্বোধন করা হলেও কেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়নের কাজ হয়তো আরো কিছুদিন চলতে থাকবে।’
মুল সংবাদ : http://www.dailykhowai.com/news/2010/09/17/11341/

0 comments:

Post a Comment