আবেদনের যোগ্যতা : 'ক' ইউনিটে (বিজ্ঞান অনুষদ) S.S.C ও H.S.C মিলিয়ে চতুর্থ বিষয় বাদে মোট G.P.A ৮, 'খ' ইউনিটে (কলা অনুষদ) G.P.A ৭, 'গ' ইউনিটে (বাণিজ্য অনুষদ) ৭.৫ এবং 'ঘ' ইউনিটের (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) ক্ষেত্রে প্রার্থী যে শাখা থেকে আসবে সেই শাখার (ওপর উলি্লখিত) যোগ্যতা। 'চ' ইউনিটে (চারুকলা অনুষদ) G.P.A ৬.৫।
ফরম বিতরণ ও জমা : ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ অক্টোবর।
আবেদনের নিয়ম : বিশ্ববিদ্যালয়ের WEB থেকে ফরম ডাউনলোড করতে হবে। ফি ৩০০ টাকা। জমা দিতে হবে সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংকের যেকোনো শাখায়। সার্ভিস চার্জ ২০ টাকা।
পরীক্ষার তারিখ : 'খ' ইউনিট ২৯ অক্টোবর, 'ক' ইউনিট ৫ নভেম্বর, 'গ' ইউনিট ২৬ নভেম্বর, 'ঘ' ইউনিট ৩ ডিসেম্বর এবং 'চ' ইউনিট ১০ ডিসেম্বর।
পরীক্ষা পদ্ধতি : এমসিকিউ। প্রশ্ন থাকবে ১০০টি। প্রতিটির মান ১.২০। একটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। চারুকলা অনুষদে ১০০ নম্বরের তাত্তি্বক ও ১০০ নম্বরের ড্রইং পরীক্ষা হবে।
আসনসংখ্যা : ক ইউনিটে প্রায় 1,৩০০, খ ইউনিটে প্রায় দুই হাজার ৭০০, গ ইউনিটে প্রায় ৯০০, ঘ ইউনিটে প্রায় ৮৫০ ও চ ইউনিটে ১২০।
নতুন বিভাগ : ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন এবং নিউক্লিয়ার অ্যান্ড এনার্জি। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অর্থনীতিতে অনার্স কোর্স চালু হচ্ছে।
website : http://www.univdhaka.edu
Search This Blog
Tuesday, September 21, 2010
Sunday, September 19, 2010
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন মোবাইল কলের মাধ্যমে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এবছর (২০১০-২০১১ সেশন) এর জন্য মোবাইল কলের মাধ্যমে ফরম বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবু ইউসুফ আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানা যায়, দেশব্যাপী গড়ে উঠা অবৈধ কোচিং সেন্টারগুলো যাতে শিক্ষার্থীদের হয়রানি করতে না পারে সে লক্ষেই এ ব্যবস্থা নেয়া।
ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীগণ দেশের যে কোন প্রান্ত থেকেই ভর্তি ফরম ক্রয় করতে পারবে শুধুমাত্র একটি মোবাইল কল এর মাধ্যমে।
তাছাড়া টেলিটক মোবাইল থেকে এস.এম.এস এর মাধ্যমেও সে রেজিষ্ট্রশন করে ভর্তিফি পরিশোধ সহ অন্যান্য বিষয়াদী জানা যাবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
উল্লেখ্য বিগত ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষে অনেক শিক্ষার্থীই বিভিন্ন কোচিং সেন্টার থেকে চড়া মূল্যে ভর্তি ফরম ক্রয় করে কিন্তু কিছুদিন পরেই দেখা যায় ওই কোচিং সেন্টারটি উধাও।
Saturday, September 18, 2010
ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা বাড়াবেন যেভাবে
ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা বাড়াবেন..
...যারা নতুন অবস্হায় ফেসবুকে আসেন অথচ ঠিক ঠাহর করতে পারেন না কিভাবে বন্ধুর সংখ্যা বাড়াবেন..সে জন্য ছোট একটা টিপস:
- ১. দিনে ৫-১০ জনের বেশি কাউকে বন্ধুর রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না
- ২. বন্ধু সংখ্যা ২৫-৩০ পার হলে ভুলেও কোন ছেলে বন্ধুর কাছে রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না
- ৩. ওই ২৫-৩০ জনের বন্ধুর লিস্টে যত সুন্দর সুন্দর চেহারার মেয়ে দেখবেন সবাইকে রিয়োয়েস্ট পাঠাবেন (মনে রাখতে হবে দিনে ৫ টার বেশি না)
- ৪. রিকোয়েস্ট পাঠাবার সময় একটা মেসেজ যুক্ত করে দিতে পারেন: "আমার বন্ধুর তালিকায় আপনার অনিন্দ্যসুন্দর প্রোফাইল দেখে বন্ধু হবার আশায় হাত বাড়িয়ে দিলাম...উদার মনের এই ফেসবুক প্রেমীর কি বন্ধু হওয়ায় যায়?" (মেসেজের সারমর্মঃ আপনি উদার মনের, ফেসবুকে সারাদিন বসে থাকেন, আপনি প্রেমিক পুরুষ, আপনি প্রো-আ্যকটিভ)
- ৫. যে কোন মেয়ে বন্ধু হওয়া মাত্রই তার ফ্রেন্ড লিস্টের সকল মেয়ে বান্ধবীর জন্য সেম প্রসেস।
- ৬. আপনার কাজ শেষ, এরপর যেটা হবে শুধু ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট আসবে আর একসেপ্ট করবেন। বহুল পরীক্ষিত এই পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত কেউ বিফল হয়েছেন বলে গবেষণায় প্রমানিত হয়নি..
Friday, September 17, 2010
গ্রামীণ জনগণ ওয়েব ক্যামেরা ব্যবহার করে বিদেশে স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবে
নভেম্বরে ইউনিয়নগুলোতে চালু হচ্ছে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র আগামী নভেম্বরে দেশের সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়নে ‘ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র (ইউআইএসসি)’ স্থাপনের কাজ শেষ হবে। এসব কেন্দ্র থেকে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণকে জীবন ও জীবিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্মসূচি থেকে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) গ্লোবাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হেলেন ক্লার্ক ১০ নভেম্বর যৌথভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অধীন দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ইউআইএসসি স্থাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় দু’জন উদ্যোক্তার মাধ্যমে সরকার এ কেন্দ্রগুলো স্থাপন করছে। এসব কেন্দ্রে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার, প্রিন্টার, ওয়েব ক্যামেরাসহ আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও থাকবে। এটুআইয়ের জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা বলেন, এসব কেন্দ্র পরিচালনার জন্য স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য (কনটেন্ট) সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। সেবা কেন্দ্রগুলো স্থাপনের কাজ করছে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। গত জুন পর্যন্ত ১ হাজারেরও বেশি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সেগুলোতে সেবা কার্যক্রম চলছে। নভেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই বাকি কেন্দ্রগুলো স্থাপনের কাজ শেষ হবে। নাঈমুজ্জামান মুক্তা বলেন, ‘গ্রামীণ জনগণ এসব কেন্দ্রে গিয়ে স্বল্পমূল্যে ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে দেয়া সরকারি সেবাগুলো নিতে পারবে। সরকার ইতিমধ্যে অনলাইনে সরকারি চালান জমা নেয়ার ব্যবস্থা করেছে। দরকারি যে কোনো ফরম ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবে। ওয়েব ক্যামেরা ব্যবহার করে বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবে।’ তিনি জানান, এসব কেন্দ্রের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার চালুর লক্ষ্যেই জাতীয় ই-তথ্যকোষ তৈরি করা হচ্ছে। এ তথ্যকোষ ব্যবহার করে ইউআইএসসি থেকে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আইন ও মানবাধিকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অকৃষি উদ্যোগ, পর্যটনসহ জীবন ও জীবিকা সংক্রান্ত সব তথ্য পাবে গ্রামীণ মানুষ। অডিও, ভিডিও এবং প্রামাণ্য চিত্রের আকারে এসব তথ্য সাজানো থাকবে। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন থেকে একজন ছেলে এবং একজন মেয়ের সমন্বয়ে ৯ হাজার উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে ৭ হাজার উদ্যোক্তারও প্রশিক্ষণ শেষ হবে। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এসব কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। সরকার এবং স্থানীয় দুই উদ্যোক্তার বিনিয়োগে এসব কেন্দ্র পরিচালিত হবে। কেন্দ্রের জন্য জায়গা দিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ। জাতিসংঘের তৃতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হেলেন ক্লার্ক দেশের কোনো একটি ইউনিয়নে গিয়ে এ তথ্য ও সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করতে পারেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, নভেম্বরে উদ্বোধন করা হলেও কেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়নের কাজ হয়তো আরো কিছুদিন চলতে থাকবে।’
মুল সংবাদ : http://www.dailykhowai.com/news/2010/09/17/11341/
মুল সংবাদ : http://www.dailykhowai.com/news/2010/09/17/11341/
Monday, September 13, 2010
Alpona Graphics: Tips/Tricks
Alpona Graphics: Tips/Tricks: "আমরা অনেক কাজই কি-বোর্ড এম মাধ্যমে সর্টকাট মারতে চাই। যারা এই সর্টকাট মারতে আগ্রহী তারা একনজর কমান্ডগুলো দেখে নিতে পারেন, হয়তো কাজে আসতে পা..."
Subscribe to:
Posts (Atom)