আগের পর্ব
আনুষাঙ্গিক বিষয়াবলী :
কেমন ধরণের নোটবুক বা ল্যাপটপ আপনার দরকার সে বিষয়ে নিশ্চয়ই একটা ধারণা করে ফেলেছেন আশা করি। এবার স্পেসিফিকেশনের দিকে যান। কোন কোন জিনিসগুলো আপনার দরকার, আর কোন কোনগুলো আপনার দরকার নেই সেগুলো একটু ক্লাসিফাই করে নেন। তাহলে আশা করি আপনার প্রয়োজন অনুয়াযী একটা ভালমানের ল্যাপটপ বা নোটবুক নিতে বেগ পেতে হবে না। আর সেসব আনুষাঙ্গিক বিষয়াদির মধ্যে রয়েছে- ডিসপ্লে, গ্রাফিক্স কন্ট্রোলার, মেমোরী (র্যাম), হার্ড ডিস্ক, পোর্টেবল স্টোরেজ, নেটওয়ার্কিং অপশন, অন্যান্য সকল কানেকটিভিটি, সাউন্ড ও ব্যাটারী।
ডিসপ্লে এবং গ্রাফিক্স :
চোখের ক্ষতি আর টেক্সটকে স্বচ্চ করে দেখানোর জন্য এখন প্রায় সকল নোটবুকেই এলসিডি (Liquid Cristal Display) স্ক্রীন। এই স্ক্রীণ CTR মনিটর থেকে টেক্সটকে অধিক সুন্দর দেখালেও উন্নত কালার কম্বিনেশনের গ্রাফিক্সকে CTR এর মতো দেখাতে পারে না। তাই নোটবুককে যদি গ্রাফিক্স-এর কাজে ব্যবহার করতে চান তাহলে এর সাথে CTR মনিটার অবশ্যই যুক্ত করতে হবে উন্নত গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস পাবার জন্য। নোটবুকের স্ক্রীন সাধারণত ১২.১ থেকে ১৭ ইঞ্চি (চওড়া স্ক্রীণ) হয়ে থাকে। ১৫ থেকে ১৫.৪ এর ওয়াইড স্ক্রীনগুলো এখন কমন। আর এটি জনপ্রিয় হয়েছে কেবল আধুনিক ওয়াইস্ক্রীনের ডিভিডি প্লেব্যাক ও গেম এর জন্য।
স্ক্রীণ রেজুলেশন স্ক্রীণের সাইজ ও গ্রাফিক্স কার্ডের উপর নির্ভর করে। বড় স্ক্রীন নিলেন কিন্তু গ্রাফিক্স কার্ড ভাল না তাহলে আপনি আপনার কাঙ্কিত আউটপুট পাবেন না। স্ক্রীণের আলোকোজ্জ্বলতার মাপটাও আরেকটা লক্ষণীয় বিষয়। বিভিন্ন মডেল ও ব্রান্ডের মধ্যে এর তারতম্য হয়ে থাকে। আলোকোজ্জল স্ক্রীণে চোখের ক্ষতি কম করে আবার অনেক ডকুমেন্ট সহজে পাঠ্যও হয়। তাই কিছু কিছু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এই এলসিডি স্ক্রীণের উপর উজ্জ্বলতা বর্ধক ও প্রতিচ্ছবি সৃষ্টিকারী এক ধরণের লেমিনেটেড বস্তু ব্যবহার করে থাকে। এটি ডিসপ্লে কনট্রাস্ট এবং কালারকে উজ্জ্বল করলেও চোখের মারাত্মক ক্ষতি করে। এমনকি সময় সময় এই কোটেড এর কারণে অনেক সাধারণ লেখাও ভালভাবে পড়া যায় না এবং স্ক্রীণের উপর কোন আচর লাগলে তা স্পস্ট চোখে পড়ে। কিছু কিছু এলসিডি স্ক্রীণ পাশ থেকে সহজে স্ক্রীণের বিষয়বস্তু দেখা যায় না।
ল্যাপটপের গ্রাফিক্যাল টেকনোলজি ডেক্সটপের থেকে এখনো নিম্নমানের। কিন্তু সকল গ্রাফিক্স কন্ট্রোলারই দ্বিমাত্রিক ছবিকে প্রদর্শন করতে পারে। আপনি যদি লেটেস্ট ত্রিমাত্রিক গেম বা আপনি যদি ক্যাড ডিজাইনার হন তাহলে অবশ্যই উচ্চ মান সম্পন্ন ভিডিও ম্যামোরী চীপ যুক্ত গ্রাফিক্স কন্ট্রোলার সম্পন্ন ল্যাপটপ কেনাই যুক্তিযুক্ত।
Search This Blog
Showing posts with label Laptop. Show all posts
Showing posts with label Laptop. Show all posts
Saturday, October 9, 2010
Wednesday, October 6, 2010
ল্যাপটপ কেনার পূর্বে কিছু টিপস-১
প্রথম পর্ব
বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ড ও মডেলের ভীরে একটি ল্যাপটপ বা একটি নোটবুক কিনতে গেলে আপনি প্রথম প্রথম একটু থতমত খেয়েই যাবেন। আর সেটা যদি হয় আপনার জন্য কম্পিউটার কেনার প্রথম ট্যুর তাহলে তো চক্ষু ছানাবড়া হবার অবস্থা। কোনটা রেখে কোনটা নেবেন। আবার দ্বিধায় পড়ে গেলেন এইটা নিলে ভাল হবে তো? ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে যাবেন আমি নিশ্চিত।
এসবের দ্বিধা-দ্বন্দ্বের ভিতরে থেকেও আপনি যদি এই বিষয়গুলা মাথায় রাখেন তাহলে আশা করি একটি ভাল মানের ল্যাপটপ বা নোটবুক ই কিনতে পারবেন।
১. সহজ বহনযোগ্যতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
ল্যাপটপ বা নোটবুকের বহনযোগ্যতা নির্ভর করে এর সাইজ, ওজন এবং ব্যাটারীর স্থায়ীত্বের উপর। আপনাকে চিন্তা করতে হবে, সব সময় এটি আপনার সাথে থাকবে কিনা, আপনি কি এর উপরই নির্ভরশীল কি না? আপনি সর্বত্র এক্সটার্নাল পাওয়ার দেয়ার ব্যবস্থা পাবেন কিনা?
বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ড ও মডেলের ভীরে একটি ল্যাপটপ বা একটি নোটবুক কিনতে গেলে আপনি প্রথম প্রথম একটু থতমত খেয়েই যাবেন। আর সেটা যদি হয় আপনার জন্য কম্পিউটার কেনার প্রথম ট্যুর তাহলে তো চক্ষু ছানাবড়া হবার অবস্থা। কোনটা রেখে কোনটা নেবেন। আবার দ্বিধায় পড়ে গেলেন এইটা নিলে ভাল হবে তো? ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে যাবেন আমি নিশ্চিত।
এসবের দ্বিধা-দ্বন্দ্বের ভিতরে থেকেও আপনি যদি এই বিষয়গুলা মাথায় রাখেন তাহলে আশা করি একটি ভাল মানের ল্যাপটপ বা নোটবুক ই কিনতে পারবেন।
১. সহজ বহনযোগ্যতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
ল্যাপটপ বা নোটবুকের বহনযোগ্যতা নির্ভর করে এর সাইজ, ওজন এবং ব্যাটারীর স্থায়ীত্বের উপর। আপনাকে চিন্তা করতে হবে, সব সময় এটি আপনার সাথে থাকবে কিনা, আপনি কি এর উপরই নির্ভরশীল কি না? আপনি সর্বত্র এক্সটার্নাল পাওয়ার দেয়ার ব্যবস্থা পাবেন কিনা?
Subscribe to:
Posts (Atom)
